সহজ 10 টি উপায় ঘরে বসে ইনকাম করার,Ten way Make money online at home

 


টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে,অনলাইনে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়,কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায় ২০২১,কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায় ২০২০,টিকটক থেকে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়,ফেসবুক থেকে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়,অনলাইন থেকে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়,

আজকে আমরা জানবো ঘরে বসে ইনকাম করার 10 টি উপায়,


অনলাইনে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়,ঘরে বসে ইনকাম করা যেন সবারই একটা স্বপ্ন আর সেই স্বপ্নটা অনেকেই বাস্তবায়ন করেছেন। অনেকেরই কিন্তু এখনো সেটি স্বপ্ন রয়েছে তো দর্শক আপনার সেই স্বপ্নটিকে কিভাবে বাস্তবায়ন করবেন আজকের এই আলোচনায় সেই বিষয়টি আপনাদের সাথে তুলে ধরার চেষ্টা করব। আশা করছি এই পোস্টটি ভালোভাবে পড়ার পরে আপনিও অনলাইন থেকে ইনকাম করার জন্য একটি ওয়ে পেয়ে যাবেন । এবং আপনার পছন্দমত একটি প্লাটফর্মে কাজ শুরু করে দিয়ে আপনিও কিন্তু ঘরে বসে ইনকাম করা শুরু করে দিতে পারেন । তো আর কথা বাড়াচ্ছি না মেইন আলোচনায় আশি ।




আরেকটি কথা জা না বললেই নয় ঘরে বসে আয় করার কিন্তু অনেক উপায় রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে কিন্তু আপনার সফলতা অর্জন করা সম্ভব ।অনলাইনে বিষয়টা এমন না যে আজকে থেকে কাজ শুরু করলেন কালকে থেকে ইনকাম পাওয়া শুরু হবে ।একটা বিষয়ে সব সময় মাথায় রাখবেন নানান রকমের প্রবণ ও প্রতারণার ফাঁদে রয়েছে অনলাইনে । তাই আপনাকে

সতর্ক হয়ে সবসময় নিজে জেনে বুঝে অনলাইনে আয়ের পথ বেছে নিতে হবে ।

ঘরে বসে আয় করার কয়েকটি ওয়ে আপনার সাথে শেয়ার করছি।

আপনি কি জানেন ঘরে বসে আয় করার নিশ্চিত উপায় কি?

বর্তমানে সবকিছু অনলাইন প্লাটফর্মে ধাবিত হচ্ছে মানুষ তাই অনলাইনে কাজ করে আয় করার প্রচুর সুযোগ রয়েছে । আর এই কাজ ঘরে বসে করাও কিন্তু আপনার পক্ষে সম্ভব । ঘরে বসে আয় করার নিশ্চিত উপায় রয়েছে শুধু প্রয়োজন । কাজের চাহিদা অনুযায়ী আপনার দক্ষতা অর্জন করা ।

ঘরে বসে আয় করার নিশ্চিত উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত এই পোস্টে আপনাদের জন্য থাকছে কষ্ট করে এবং ধৈর্য ধরে যদি সম্পন্ন পোষ্ট পরেন তাহলে আশা করছি ঘরে বসে আয় করার আপনি দারুন কিছু আইডিয়া পেয়ে যাবেন । এবং সেই বিষয়ে আপনার অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে আপনিও কিন্তু ঘরে বসে ইনকাম করতে পারবেন । কি কি বিষয়ে আপনারা অনলাইন থেকে ঘরে বসে ইনকাম করতে পারেন তা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো ।

মার্কেটপ্লেসে এ ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করতে পারেন ঘরে বসে




ঘরে বসে ইনকাম করার জন্য প্রথমে আপনাকে ঘরে বসে কোন ধরনের সার্ভিস প্রদান করা যায় অনলাইনের মাধ্যমে তা আপনাকে জানতে হবে । তারপরে আপনাকে জানতে হবে কোথায় আপনি সার্ভিস প্রদান করে আয় করতে পারবেন ঘরে বসে। আয় করার জন্য অন্যতম প্রধান উপায় হচ্ছে ফিলানসিং অনলাইন মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে ।

বর্তমানে জনপ্রিয় ফিল্যান্সিং সাইট এর মধ্যে রয়েছে আপওয়ার্ক ফাইবার freelancer.com পিপল পার আওয়ার ইত্যাদি মার্কেটপ্লেসে কাজের ব্যবস্থা রয়েছে অনেক । এইসব মার্কেটপ্লেসে আপনিও ঘন্টা হিসেবে অথবা গিগ সার্ভিস প্রদানের মাধ্যমে কিন্তু কাজের দাম নির্ধারণ করতে পারেন ।

যে কোন প্রজেক্ট অথবা গীগ ও বর্ণিত সার্ভিস প্রদানের পর বায়ার যদি কাজের অনুমোদন দেয় । তবেই আপনি আয় করতে পারেন নিশ্চিতভাবে । ফ্রিল্যান্সিং এর পুরো সার্ভিসটি আপনি ঘরে বসেই দিতে পারবেন । বিভিন্ন অনলাইন পেমেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে কিন্তু আপনি আপনার পেমেন্ট পেয়ে যাবেন ।

সেজন্য আপনাকে ইউটিউবে এবং বিভিন্ন সাইটের মাধ্যমে আপনাকে জানতে হবে যে কোন ধরণের কাজে দক্ষ এবং অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে এইসব প্ল্যাটফর্ম থেকে অনলাইনে কাজ করে দিয়ে আপনি ঘরে বসে ইনকাম করতে পারেন । এবং আপনাকে বুঝতে হবে যে এসব সাইটে কোন কাজের চাহিদা বেশি এবং কোন কাজে আপনি ইন্টারেস্টেড। সেই কাজের অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে কাজ শিখে আপনিও শুরু করতে পারেন ফ্রিল্যান্সিং ।

ব্লগ পোষ্ট লিখে ও হাজার ডলার ইনকাম করতে পারেন ঘরে বসে


আপনি কিন্তু ব্লগিং করে ঘরে বসে ইনকাম করতে পারে না হাজার হাজার ডলার । এ সময়ে আমরা সবাই কিন্তু ফেসবুক খুবই পরিচিত ফেসবুকে আমরা আমাদের ইচ্ছে মতো বিভিন্ন রকমের একটা ছবি দিয়ে পোস্ট লিখি কিন্তু এতে আমাদের কোনো ইনকাম হয় না । শুধু কয়েকটি লাইক এবং কিছু কমেন্ট দেখা যায় ।


তো ফেসবুকে সময় না দিয়ে আপনি যদি গুগলের একটি ফ্রি ব্লগ সাইট তৈরী করেন । এবং সেখানে প্রতিনিয়ত আপনি আপনার ইচ্ছেমত বিভিন্ন রকমের পোস্ট লেখেন ।তাহলে গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে মনিটাইজেশন নিয়ে আয় করতে পারেন হাজার হাজার ডলার ।


আপনার ব্লগ সাইটটি যখন মনিটাইজ করাবেন তখন আপনার সাইটের গুগল বিভিন্ন রকমের এডভার্টাইজিং শো করাবে যার মাধ্যমে আপনার ইনকাম হবে।আপনি আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন যে কিভাবে একটি ফ্রিতে ব্লগ সাইট তৈরি করবেন । আপনাকে বলব ইউটিউব এ যান এবং সার্চ করুন How to make free blogger site,দেখবেন অসংখ্য ভিডিও চলে এসেছে যে কোন একটি ভিডিও দেখে তৈরি করে নিতে পারেন একটি ফ্রি blog সাইট এবং প্রতিনিয়ত পোস্ট লেখার মাধ্যমে আপনি ইনকাম করতে পারেন ঘরে বসে ।

ইউটিউব চ্যানেল খুলে ঘরে বসে আয় করতে পারেন আপনিও ।

আপনিও একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলে ইনকাম করতে পারেন ঘরে বসে ।ইউটিউব হচ্ছে একটি ভিডিও প্লাটফর্ম যেখানে আপনিও অসংখ্য ভিডিও পেয়ে যাবেন । প্রতিনিয়ত সেখানে শিক্ষামূলক বিনোদনমূলক এবং আরও অনেক রকমের ভিডিও আপলোড হয়ে থাকে । আর সেই ভিডিও যে তৈরি করে চ্যানেলে আপলোড দিয়ে থাকেন ।তিনিও কিন্তু মাস শেষে ভালো পরিমাণের একটি ইনকাম করে থাকেন এই ইউটিউব ভিডিও আপলোড করে ।


চ্যানেল খোলার সঙ্গে সঙ্গেই আপনি কিন্তু ইনকাম করতে পারবেন না ইনকাম করার জন্য ইউটিউব এর কিছু রুলস রয়েছে কিছু নিয়ম রয়েছে যা আপনাকে মেনে ভিডিও আপলোড করতে হবে ।ইউটিউবে ছাড়া আপনার সব ভিডিও মিলিয়ে এক বছরের মধ্যে যখন 4000 ঘন্টা ওয়াচ টাইম এবং 1000 সাবস্ক্রাইবার হবে । তখনই কিন্তু আপনি আপনার চ্যানেলটিকে মনিটাইজেশন করার জন্য এপ্লাই করতে পারবেন ।এবং আপনার সাইটটিকে তারা পর্যবেক্ষণ করবেন এবং সবকিছু ঠিকঠাক থাকার পরে কিন্তু আপনাকে মনিটাইজেশন দিয়ে দিবেন ।


এবং আপনার ভিডিওতে তারা অ্যাপ চালাবেন এবং শেয়ারের পার্সেন্টেজ একটি কমিশন আপনার এডসেন্স একাউন্টে জমা হতে থাকবে ।অ্যাডসেন্সে যখন 100 ডলার হবে তখন আপনার যেকোনো একটি ব্যাংক একাউন্ট এড করে সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আপনি আপনার সেই ইনকামের টাকাটি নিয়ে আসতে পারবেন খুব সহজে ।এখনো হয়তো বা আপনি ভাবছেন আমি তো জানিনা কিভাবে একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে হয় ।


চিন্তা করবেন না শুধু একটু কষ্ট করে ইউটিউবে দেখুন কিভাবে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলবো দেখবেন অসংখ্য ভিডিও চলে আসছে যেকোনো একটি ভিডিও দেখে কিন্তু আপনি একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলে নিতে পারেন এবং কিভাবে ভিডিও আপলোড দিতে হয় এবং কিভাবে পাবলিশ করতে হয় সবকিছুই আপনি পেয়ে যাবেন এখন ইউটিউবে।


তাহলে আর চিন্তা কেন সবকিছু তো ইউটিউবে আছে যেকোন সমস্যা শুধু লিখে ইউটিউব এ সার্চ দিন দেখবেন চলে আসছে আপনার সেই সমস্যার সমাধানের কোনো একটি ভিডিও দেশে নিন এবং নিজের অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে নিন এবং শুরু করে দিন কাজ আজ থেকেই ।কিভাবে ভিডিও বানাতে আপনি ইন্টারেস্টেড এবং কি ধরনের ভিডিও আপনি বানাতে পারবেন তা আপনি নিজেই চিন্তা করে ভেবে কাজ শুরু করে দিন । তবে মনে রাখবেন অন্যের ভিডিও ডাউনলোড করে সেটি কখনোই আপলোড করার চেষ্টা করবেন না । কেননা এতে আপনার চ্যানেল টি বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ।


শর্ট ভিডিও তৈরি করে ইনকাম করুন ঘরে বসে 


টিকটক থেকে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায় ? আমাদের মাঝে টিকটক এবং লাইকি সফটওয়্যার চিনে না এমন কেউ আছে কিনা আমার মনে হয় না । তবে যাই হোক এই সফটওয়্যার গুলোর ভিতর আমরা কিন্তু সবসময়ই শর্ট ভিডিও দেখতে পাই । কিন্তু সেই ভিডিওগুলো যারা তৈরি করেন কষ্ট করে তাদের কিন্তু কোন কোনো রকমের ইনকাম হয় না ।শুধু কিছু লাইক আর কমেন্ট পেয়ে থাকেন ।


এবার আপনিও ইনকাম করতে পারেন সেই সব ভিডিও গুলো ইউটিউবে আপলোড দেওয়ার মাধ্যমে । কিছু কিছুদিন আগে ইউটিউব আপডেট নিয়ে এসেছেন এবং ইউটিউবে নতুন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছেন যার নাম দিয়েছেন shortশার্টের ভিতর ক্লিক করলে আপনি কিন্তু টিক টক এর মত শুধু শর্ট ভিডিও সেখানে দেখতে পাবেন । যারা এই ভিডিওগুলো ইউটিউব সাইটে আপলোড দিয়ে থাকেন তারা কিন্তু এই ভিডিওর মাধ্যমে হিয়জ পরিমাণে ইনকাম করে থাকেন ।


ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজ ছাড়াও ভিডিওর আলাদা একটি ইনকাম রয়েছে যাদের উপর ডিপেন্ড করে ইউটিউব কোম্পানি দিয়ে থাকেন । একটি চ্যানেলে লং ভিডিও দিতে পারেন পাশাপাশি শর্ট ভিডিও দিতে পারেন । 4000 ঘন্টা এবং 1000 সাবস্ক্রাইবার হওয়ার পরেই আপনি কিন্তু মনিটাইজেশন এর জন্য এপ্লাই করতে পারেন । এছাড়া শর্ট ভিডিও উপর ডিপেন্ড করে আপনি কিন্তু ইউটিউব থেকে পেতে পারে না হাজার হাজার ডলার বোনাস।


ফেসবুক থেকে আয় করুন ঘরে বসে ।

ফেসবুক থেকে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়, দর্শক আমরা সবাই ফেসবুক ব্যবহার করি কিন্তু ফেসবুক থেকে আয় করা যায় এই বিষয়টা কিন্তু আমরা অনেকেই জানিনা । আজকে সে বিষয়টি নিয়ে কিছু ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করব যে ফেসবুক থেকেও এখন ইনকাম করা যায় ঘরে বসেই ।


ফেসবুকে এখন নতুন আপডেট নিয়ে এসেছে এখন ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করে মনিটাইজেশন করা যায় । যার মাধ্যমে কিন্তু হাজার হাজার ডলার ইনকাম করা যায় । একই ভিডিও আপনি ইউটিউবে আপলোড দিতে পারেন এবং ফেসবুকেও একটি পেজ তৈরী করে আপলোড দিতে পারেন ।
একটি পেজ কিভাবে তৈরি করতে হয় আপনি যদি ইউটিউবে সার্চ দেন তাহলে সে সম্পর্কে ভিডিও পেয়ে যাবেন ।
ভিডিও দেখে একটি পেজ তৈরি করে নিন । এবং এবং সেখানেও ভিডিও আপলোড করে ইনকাম চালু করে নিন। এছাড়াও আপনি ফেসবুকে একটি বিজনেস পেজ ক্রিয়েট করে যে কোন প্রোডাক্ট সেল করার মাধ্যমে কিন্তু ইনকাম জেনারেট করতে পারেন । এমন অনেকেই আছেন যারা ফেসবুকে একটি বিজনেস পেজ ক্রিয়েট করে মার্কেটিং করে থাকেন । এবং অনলাইন সেল জেনারেট করে থাকেন ।


ভেবে দেখুন আপনার কাছে যদি এমন কোন কিছুর আইডিয়া থাকে যেটা ফেসবুকের মাধ্যমে সেল দেওয়া সম্ভব । তাহলে আপনি একটি বিজনেস পেজ তৈরি করে সেই পণ্যের ছবি ও দাম দিয়ে মার্কেটিং শুরু করে দিতে পারেন ।এবং ফেসবুকের মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে আপনি সেল জেনারেট করতে পারবেন ।


অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন ঘরে বসে

বর্তমান সময়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর রয়েছে অনেক চাহিদা । কেননা এই কাজটি আপনি ঘরে বসে খুব সহজেই করতে পারেন অনলাইনের মাধ্যমে । অ্যাফিলিয়েট হচ্ছে কোন কোম্পানির পণ্য নিয়ে মার্কেটিং করা আপনার সে মার্কেটিংয়ের কারণে যখন কোন একটি পণ্য বিক্রি হবে সে পণ্যের লাভের অংশ থেকে একটি অংশও বা কমিশন আপনাকে দেয়া হবে আপনাকে দেয়া হবে ।মূলত এদিকে এফিলিয়েট মার্কেটিং বলা হয়ে থাকে ।


ইউটিউব এ চার্জ দিলে আপনি অনেক অনলাইন কমার্শিয়াল ওয়েবসাইট পেয়ে যাবেন শৈশব সাইটে তারা এফিলিয়েট প্রোগ্রাম রেখেছেন সেখান থেকে আপনাকে একটি এফিলিয়েট প্রোগ্রাম এর অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে ।এবং সেই সাইটের যে কোন প্রডাক্ট এর মার্কেটিং শুরু করে দিতে হবে এবং আপনার সেই মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে কোন একটি প্রোডাক্ট সেল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আপনার কমিশন আপনি পেয়ে জাবেন।
শুধু বাংলাদেশের সাইটগুলোতে করতে হবে এমন করো না আপনি ইন্টার্নেশনাল এভাবে যেকোন সাইটের অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ জয়েন করতে পারেন এবং সেই সাইটের পণ্য নিয়ে আপনি মার্কেটিং শুরু করে দিতে পারেন । তবে অনলাইনে সবথেকে বেশি সবাই যে সাইটটিতে কাজ করে থাকে তা হচ্ছে অ্যামাজন , আপনি চাইলে অ্যামাজনে একটি অ্যাসোসিয়েট একাউন্ট তৈরী করে নিতে পারেন । কিভাবে একাউন্ট খুলতে হয় তা রয়েছে ইউটিউবেই শুধু একটু সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন । তাহলে আর দেরি কেন অ্যামাজন অ্যাসোসিয়েট অ্যাকাউন্ট তৈরি করে মার্কেটিং শুরু করে দিন । এবং ঘরে বসে ইনকাম করো না হাজার হাজার ডলার

গ্রাফিক্স ডিজাইনার হয়েও ইনকাম করতে পারবেন ঘরে বসে

ঘরে বসে ইনকাম করার একটি উপায় এর নাম হলো গ্রাফিক্স ডিজাইন ।গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ শিখে আপনিও কিন্তু ঘরে বসে ইনকাম করতে পারেন হাজার হাজার ডলার ।কেননা এই গ্রাফিক্স ডিজাইন এর চাহিদা অনেক বেশি। সেই জন্য আপনাকে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কোন একটি কোর্সে ভর্তি হয়ে আপনাকে সেই গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে হবে ।


নিজের অভিজ্ঞতা এবং নিজের দক্ষতা বাড়াতে হবে ।তারপর মার্কেটপ্লেসে আপনার ডিজাইন দিয়ে একটি গীক সাজাতে পারেন । এবং সেই ডিজাইন বিক্রি করব কিন্তু আপনি ঘরে বসে ইনকাম করতে পারে না হাজার হাজার ডলার । কিভাবে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ শিখবেন সে বিষয়ে ইউটিউব এ চার্জ দিলে হয়তোবা অনেক ভিডিওতে যাবেন । তবে ফ্রি ভিডিও থেকে আপনি যদি কোনো একটি ট্রেনিং সেন্টারে ভর্তি হয়ে আসছে তার শিখেন তাহলে সেটা আপনার জন্য অনেক বেটার হবে ।

ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আয় করুন ঘরে বসে.

আপনি যদি লেখালেখি পছন্দ করে থাকেন এবং লেখ যদি আপনার বেশি ভাল লাগে তাহলে কিন্তু আপনি আপনার নিজের একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে পারেন । কিভাবে তা ওয়েবসাইট তৈরি করতে হয় ইউটিউবে অসংখ্য ভিডিও রয়েছে । আপনি নতুন হলে ভিডিও দেখে ভালো মানের একটি ওয়েবসাইট বানাতে পারেন । সেজন্য আপনার প্রশিক্ষণ দরকার ।


যেকোনো ট্রেনিং সেন্টারে ভর্তি হয়ে আপনি কিন্তু হতে পারে না একজন ওয়েব ডেভলপার । অনলাইনের মাধ্যমে আপনি কিন্তু অন্যের ওয়েবসাইট খুলে দিয়ে অনেক ভালো পরিমাণের ইনকাম করতে পারেন । নতুন অবস্থায় একটি ওয়েবসাইট খুলতে আপনি পারবেন না আর তার কারণ হচ্ছে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে গেলে একটি কাস্টম ডোমেইন এর প্রয়োজন হয় ।


সেটা অন্য কোন ওয়েবসাইট থেকে কিনতে হয় ।শুধু ডুমাইন হলে হয়না তার পাশাপাশি একটি হোস্টিং এর প্রয়োজন হয় । এছাড়া রয়েছে ওয়েবসাইট তৈরির ডিজাইন করা । এইসব কাজ একজন নতুন ব্যক্তির পক্ষে কখনোই সম্ভব হয়ে ওঠেনা । সম্ভব তখনই যখন আপনি সেই বিষয়ে শিখবেন । এ বিষয়ে অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে দক্ষতা বাড়িয়ে আপনি অন্যের ওয়েবসাইট খুলে দিয়ে ইনকাম করতে পারেন পাশাপাশি আপনার নিজের একটি সাইট তৈরি করেও ইনকাম এর পরিমাণটা বাড়িয়ে নিতে পারেন ।


কনটেন্ট রাইটিং করেও ঘরে বসে ইনকাম করতে পারেন ।


ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে কনটেন্ট রাইটিং করেও কিন্তু আপনি ইনকাম করতে পারেন ।আপনি যদি লেখালেখি পছন্দ করেন । তাহলে এই কাজটিও করতে পারেন ঘরে বসে । কামনা এই কাজটি তো অনেক চাহিদা ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে ।অনেকে আছেন তাদের পণ্যের রিভিউ লেখাতে চান । এছাড়াও আরো অনেকেই অনেক কিছু লেখাতে চান আর নিজেদের সময় অথবা নিজে যা লিখতে না পারায় অন্যদের দিয়ে লিখে নেন ।


এবং সেই কাজের জন্য তাদেরকে একটি পারিশ্রমিক দিয়ে থাকেন ।হাতে চাইলে এই কাজটিও পড়তে পারেন খুব সহজেই । এ ধরনের কাজ গুলো কোথায় পাওয়া যায় এবং কিভাবে করতে হয় বিস্তারিত । ইউটিউবে সার্চ দিয়ে দেখে নিতে পারেন ।পাশাপাশি আপনার ব্লগ সাইটটি লেখালেখি করলেও কিন্তু ইনকামের পরিমাণটা বাড়িয়ে নিতে পারেন দ্বিগুণ

অনলাইন ট্রেডিং করে কিন্তু ইনকাম করতে পারেন ঘরে বসে..


অনলাইনে প্রচুর পরিমানের ট্রেডিং প্লাটফর্ম রয়েছে । যেখানে আপনার জিমেইল দিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে । এবং তাকাবা ডলার ডিপোজিট করতে হয় । এ ধরনের সাইট গুলো থেকে যেমন ইনকাম করা খুব সহজ । তেমনি লস করার সম্ভাবনাটাও অনেক বেশি। কেননা এগুলো এক প্রকারের জুয়া খেলার মত ।


সাময়িক সময়ের জন্য আপনাকে ধারণা করে বেট লাগাতে হবে আপনার ধারণা যদি সঠিক হয় তাহলে আপনার ইনভেস্টর অর্থ দ্বিগুণ হয়ে যাবে । এসব সাইট থেকে অনেকে অনেক টাকা ইনকাম করেছেন আবার অনেকে অনেক টাকা কিন্তু লস করে ফেলেছেন। এসব সাইটে একাউন্ট করা এবং এ ধরনের খেলা গুলো কিন্তু আমি আপনাদেরকে রেকমেন্ট করব না।কানা এসব সাইট থেকে মানুষের লাভের থেকে লস এর সংখ্যাই বেশি ।


তারপরও অনেকে এখানে অ্যাকাউন্ট তৈরি করে থাকেন । এবং ডলার ইনভেস্ট করেন । আমার তেমন বেশি সাইটের সঙ্গে পরিচিত নেই ।আপনাদের দেখানোর উদ্দেশ্যে একটি সাইট এর কথা বলতে পারি । তা হলো Deriv ,এখানে ক্লিক করার সঙ্গে সঙ্গে আপনাকে সাইনা পেজে নিয়ে যাওয়া হবে . আপনার জিমেইল দিয়ে ক্রিয়েট নিউ একাউন্ট এ ক্লিক করুন ।


আপনার মেইল ভেরিফিকেশন করার জন্য . আপনার মেইল চেক করুন । আপনার মেইলে আশা লিংকটিতে ক্লিক করুন এবং একটি পাসওয়ার্ড সেট করে নিন । পাসওয়ার্ড সেট করে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনার একটি ডেমো অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে গেল । এবং আপনি প্র্যাকটিস করার জন্য 10,000 ডিমু ব্যালেন্স পেয়ে যাবেন । এই ব্যালেন্স দিয়ে আপনি প্র্যাকটিস করে দেখতে পারেন ।


ভালো লাগলে রিয়েল অ্যাকাউন্ট খুলে ডলার ইনভেস্ট করে তারপরে কিন্তু ট্রেড করতে হবে ।আমি আপনাকে বলব না রিয়েল অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য । আমি শুধু আপনাদেরকে দিমু অ্যাকাউন্টটি দিলাম শুধু বোঝার জন্য ।তারপরও যদি কেউ রিয়েল অ্যাকাউন্ট তৈরি করে ডলার ইনভেস্ট করে ট্রেডিং করতে চায় । তাহলে তার দায়ভার সম্পন্ন তার নিজেকে নিয়েই সেখানে ট্রেডিং করতে হবে ।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url